ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার শালগাঁও কালিসীমা স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন ‘তরী বাংলাদেশ’। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয়ের মাঠে গাছের চারা রোপণ এবং শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক ও প্রতিষ্ঠাতা শামীম আহমেদ বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। গাছ বায়ুদূষণ কমানোর পাশাপাশি মাটির ক্ষয় রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, লাগানো গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষাকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তরী বাংলাদেশ কাজ করছে। পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের একার নয়; এটি সবার দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল করে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালেদা মুন্নী এবং শালগাঁও কালিসীমা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মোখলেছুর রহমান।
অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতে বিদ্যালয় পর্যায়ে এ ধরনের কর্মসূচির গুরুত্ব রয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিজেরা গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিবার ও আশপাশের মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করলে এর সুফল সমাজে ছড়িয়ে পড়বে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল কাদির, তরী বাংলাদেশের সদস্য মো. আব্দুল হেকিম, সদর উপজেলার সদস্য সচিব নোমান আহমেদ, সদস্য মোশাররফ হোসেন, মোবারক মিয়া, বাচ্চু মিয়াসহ শালগাঁও কালিসীমা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকরা।
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বৃক্ষরোপণ এবং রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যার বিষয়ে সচেতন করা হয়।
