
স্কুল সংলগ্ন মসজিদটি স্যারের বাড়ি মসজিদ নামেও গ্রামবাসীর কাছে পরিচিত। এ মসজিদ-এর মুসল্লীরা জুম্মার নামাজ বড় মসজিদে পড়তেন। এভাবেই পাঞ্জেখানা মসজিদটি শতবছর অতিক্রম করেছে। কালের পরিক্রমায় ২০০৯ সালে ফার্মা’র- বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান মোঃ জামাল উদ্দিন শিকদার মসজিদটি পুনঃ নির্মাণের উদ্যোগ নেন। ২০১০ সালে পুনঃ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। পুনঃ নির্মাণের ক্ষেত্রে মসজিদটির শতবছরের ঐতিহ্যের ছাপ রয়েছে; এমন ভাবেই জিজাইনে ফুটিয়ে তুলা হয়েছে। প্রখ্যাত আর্কিটেক ডিজাইনার প্রকৌশলী মোঃ ইব্রাহিম সিকদার মসজিদের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন।
২০১২ সালে মুসল্লীদের নামাজ পড়ার জন্য মসজিদ খুলে দেয়া হয়। ঐ বছরই প্রচীন মসজিদটি পাঞ্জেখানা থেকে জামে মসজিদে রূপান্তরিত হয়। মসজিদের লাগোয় দক্ষিন পাশে সমাজহিতৈষী নূর বক্স মুনসির পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে। এখানে তাঁর পরিবারের অনেকেই চির শায়িত হয়েছেন। কবরস্থানের দক্ষিন-পূর্ব কোণে মসজিদের একটি উচ্চু মিনার নির্মাণ করা হয়। মিনারটি মসজিদের জৌলুস বাড়ানোর পাশাপাশি পূরিপূণতা দিয়েছে। মসজিদের নির্মাণশৈলীতে ইসলামিক সংস্কৃতির মিথস্ক্রিয়া যেমন ফুটে উঠেছে; তেমনি হয়ে উঠেছে মুসলমানদের হাজার বছরের ইসলামিক জীবনচারণের প্রতিচ্ছবি। মুসমানদের প্রতিদিন জীবনের সাথে জড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক মসজিদটি অত্যান্ত মনোরম পরিবেশে নির্মিত হয়েছে। মসজিদ ভবনটি প্রাচীন নয়; তবুও অত্যাধুনিক মডেলে নির্মিত মসজিদটি মুসলিমদের প্রাচীন ঐতিহ্যের ছাপ বহন করছে। স্থাপত্যশেলীর অনন্য নির্দেশন মসজিদের নিপুণ কারুকাজ খচিত ডিজাইন সবারই নজর কাড়ে। গ্রীক ডিজাইন অনুসারে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। লাল মাটির কালারে রং কাজ করায় অনেকের কাছেই মনে হবে মসজিদটি লাল মাটি দ্বারা তৈরি। এটি এখন সৌন্দর্য পিপাসু ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদের দৃষ্টি আর্কষণ করে। গ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও ইসলামের ইতিহাসে মসজিদটির গুরুত্ব রয়েছে।