
সোমবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউনিয়নের মৈন্দ গ্রামের ঈদগা মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। জানাজা শেষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের দুটি পৃথক চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
জানাজায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. বশিরুল হক ভূঁইয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের সহ সভাপতি চৌধুরী আফজাল হোসেন নিছার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আবু হোরায়রাহ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট লোকমান হোসেন, স্থানীয় মজলিশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম প্রমুখ অংশ নেন। এছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে মুক্তিযোদ্ধারা তার জানাজায় অংশ নেন।
জানাজার আগে জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানের মরদেহ ঈদগা মাঠে আনা হলে প্রশাসনের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রোববার (৭ আগস্ট) বিকেল পৌনে তিনটার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বীর উত্তম হাবিবুর রহমান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি স্ত্রী মেহেরুন্নেছাসহ তাঁর তিন ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে রেখে গেছেন।
উল্লেখ্য, বীর উত্তম হাবিবুর রহমান তৎকালীন ইপিআরে চাকরি করতেন। ১৯৭১ সালে কর্মরত ছিলেন দিনাজপুর ইপিআর সেক্টর হেডকোয়ার্টারে। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ছাতক, গোয়াইনঘাটসহ আরও কয়েকটি অপারেশনে তিনি অংশ নেন।