
পিঠা উৎসবের মূল আয়োজক উপজেলা প্রশাসন। গ্রাম-বাংলার মানুষের চিরায়ত ঐহিত্য ও সংস্কৃতিকে স্মরণে রেখে উৎসবের মধ্য দিয়ে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য আবারো ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন উৎসবের আয়োজকরা।
ঘুরে দেখা গেছে, গ্রামবাংলার প্রায় দুই শতাধিক রকমের পিঠা প্রদর্শিত ও বিক্রি হয় বিভিন্ন স্টলে। স্টল গুলোতে ছিল জামাই পিঠা,পাটিসাপটা, ভাপা, চিতই, কুলি, নকশি, পাকনা, ডিমের পুডিং, চন্দনকুলি, মালপোয়া,গুড় ক্ষীরসার, দুধ পুলি, শাহী রস, বিবিখানা, দুধে ভেজা ছানার পাটিসাপটা, মসুর ডালের নকশা, আপেলের পোস্তপুলিসহ বাহারি রকমের পিঠার। সব কিছু মিলিয়ে অতিথিতার ছিলেন বেশ পুলকিত।
মেলায় পিঠার স্টল নিয়ে অংশ গ্রহণকারী মোস্তফা টিউটিরিয়াল হোমের শিক্ষার্থী জহির জানান, প্রথমবার এরকম একটি ব্যতিক্রম উৎসবে অংশ গ্রহণ করে খুব ভালো লাগছে। আমরা চাই প্রতি বছর যেন এমন আয়োজন করা হয়।
মেলায় দর্শনার্থী শফিক জানান, উৎসবের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম অনেক কিছু শিখতে পারবে। এই উৎসব যেন ম্লান না হয়, ‘প্রতিবছর যেন এমন বর্ণিল আয়োজন করাহয় এই দাবী জানান তারা’।
উৎসবে অংশ নেওয়া নাসিরনগর সরকারী কলেজের আইসিটি বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ লুৎফুর মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আজকের আয়োজন আগামী প্রজন্মকে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যরে সাথে পরিচিত করার একটি উদ্যোগ।
আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্থানীয় সংসদ সদস্য বিএম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম জানান, গ্রাম বাংলাল পিঠার যে ঐতিহ্য তা এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। এ ধরনের আয়োজন আমাদের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে। যুগ যুগ ধরে ঠিকে থাকবে আমাদের পিঠার এ ঐতিহ্য।