
আধঘন্টা পর দোকানের মালিক এসে অর্ডারটি দেখতে পেয়ে শীলমোহরটি তৈরি করতে বাধা দেন এবং মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার আলহাজ্ব মো: হারুণ-অর-রশিদকে ফোন করে জানান। জেলা কমান্ডার শীলমোহরটি সরবরাহ নিতে আসলে সাথে সাথে তাঁকে ফোন করতে বলেন। জোহরের পর উক্ত ব্যক্তি শীলমোহর সরবরাহ নিতে আসলে মালিক জেলা কমান্ডারকে ফোন করে জানান। জেলা কমান্ডার তৎক্ষণাৎ উক্ত দোকানে পৌঁছান। এ সময় ওখানে অ্যাড: আবদুল হাই উপস্থিত ছিলেন। তাকে সাথে নিয়ে জেলা কমান্ডার উক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। পরে জেলা কমান্ডার পুলিশ সুপার জনাব মিজানুর রহমান পিপিএমকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করার পর এসআই আনিসের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনীর ৪ সদ্যসের একটি টীম এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যান।
মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই-এর যে কার্যক্রম চলছে তাতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে অমুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধা বানানো এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দেয়ার গভীর ষড়যন্ত্র বলে জেলা কমান্ডার মনে করেন।