
গত শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াজেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত একজন কর্মকর্তা কেন বা কিভাবে গভীর রাতে অন্য জেলাধীন এলাকায় গেলেন এই বিষয়টি তদন্ত করতে জেলা পুলিশের ইন্টারনাল ডিসিপ্লিন সংক্রান্ত একটি কমিটি করা হয়েছে।
গভীর রাতে কেন, কি উদ্দেশ্যে ট্রাফিক পরিদর্শক বায়েজিদ সেখানে গিয়েছিলেন তা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনে জল্পনা-কল্পনা চলছে। পার্শ্ববর্তী জেলা হবিগঞ্জে বা কেন গিয়েছিলেন তা ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহরিয়ার আল-মামুনকে প্রধান করে তিন সদস্যের এ কমিটি গঠিত হয়। কমিটির বাকি দুই সদস্য হলেন- সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) মো. শফিকুল ইসলাম ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিআইও-১) মাঈনুদ্দিন খান। মাধবপুর থানার ওসি মোল্লা মো. মনির হোসেন জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালককে আটক করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত লুট হওয়া ওয়াকিটকি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তবে ডাকাতদের আটক করতে সোর্স নিয়োগ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর এলাকা থেকে মাধবপুর হয়ে ফেরার পথে স্থানীয় আদাউর বেইলি সেতু এলাকায় অটোরিকশা দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করে মাইক্রোবাসের গতিরোধ করে ডাকাতেরা এলোপাথারি কুপিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়। ডাকাতের হামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মো. বায়েজিদ, এটিএন নিউজের পূর্বাঞ্চলীয় ব্যুরো চিফ পীযূষ কান্তি আচার্যসহ ৫ জন আহত হয়।