
পুলিশ এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে । এই ঘটনায় শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সকালে ছাত্ররা বিক্ষোভ করে হরতাল ঘোষনা করে।
এদিকে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন হাজারো বিক্ষুব্ধ মাদরাসা ছাত্র। মঙ্গলবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে দু’দফায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং রেললাইনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একদল মাদরাসা ছাত্র অতর্কিতভাবে রেলওয়ে স্টেশনে এসে হামলা চালায়। এ সময় বিক্ষুব্ধরা স্টেশনের এক নম্বর প্লাটফরমের দরজা-জানালা, স্টেশন মাস্টারের কক্ষ, প্যানেল বোর্ড ও টেলিফোন, চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন। এ ঘটনার পর থেকেই ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ভোর থেকেই ছাত্ররা শহরের টিএ রোড হাসপাতাল রোড় বন্ধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে।
শহরে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে টায়ারে আগুন জালিয়ে বিক্ষেভ করছে ছাত্ররা।
জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাও. মোবারকউল্লাহ জানান, সামগ্রিক পরিস্হিতি নিয়ে আমরা বৈঠক করেছি। বৈঠক থেকে তিন পুলিশ কর্মকর্তার প্রত্যাহর দাবি করা হয়। এ রিপোর্ট লিখার সময় পর্যন্ত শহরে থমথমে অবস্হা বিরাজ করছে।
১২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ নজরুল ইসলাম, পিবিজিএম জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে শহরে চার প্লাটুন বিজিবি সহ র্যাব, পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।
গত রাতের ঘটনায় পুলিশ মাদ্রাসা ছাত্রসহ শতাধিক লোক আহত হয়েছে। ৪ ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ৫শ রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।