
P
বিশেষ প্রতিবেদন :: ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নতুন যন্ত্রণা ব্যাটারি-চালিত রিক্সা।দেশের অধিকাংশ জেলা শহরে ব্যাটারী চালিত রিক্সা বন্ধ হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে অবাধ চলাচল রয়েছে। বেসরকারি হিসাব মতে, এর সংখ্যা দেড় হাজারেরওউপরে। রিক্সার অস্বাভাবিক গতি, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের রিক্সা চালনা, যেখানে সেখানে জটলা শহরের বিশৃঙ্খল অবস্হার সৃষ্টি করছে। তার উপর বিদ্যুতের অপচয় তো আছেই। শহরের মহল্লাগুলোর ভিতরে এসব রিক্সার অত্যাচারে হাটাই দায় হয়ে দাড়িয়েছে পৌরবাসীর। ব্যটারি চালিত হওয়ায় যানগুলোর স্পীড অস্বাভাবিক।
সহজাতভাবে এটাকে কন্ট্রোল করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আর তখনই ঘটে দূর্ঘটনা।তাছাড়া লাইসেন্স না থাকায় এসব রিক্সার পরিমান প্রতিদিন হু হু করে বেড়ে শহরটাকে একটা রিক্সার শহরে পরিণত করেছে। ব্যাটারি চালিত রিক্সা শহরে আর চলতে দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন। শহরকে যানজট মুক্ত এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেই জনস্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
জেলা প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ প্রতিনিধিকে জানান, এ শহরটা আপনার আমার সকলের। শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতার পাশপাশি যানজট মুক্ত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সম্মিলিত ভাবে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যে কোনও লোক এ রিক্সায় উঠলে বুঝবে এ রিক্সাটি কতো রিস্কি। তাছাড়া এ রিক্সাটি দিন দিন নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে বাড়ছে। তাই জনস্বার্থেই এটির নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
একই কথা জানালেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মঈনুর রহমান । তিনি বলেন,প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বদ্ধ পরিকর। আগামী ১লা নভেম্বরের পর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ব্যাটারী দ্বারা মটর চালিত রিক্সা চলতে দেওয়া হবে না।; যারা ব্যাটারী চালিত রিক্সা রাস্তায় বের করবেন এসব রিক্সার ব্যাটারী ও মটর খুলে নেওয়া হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।।এ ক্ষেত্রে আর ছাড় দেবার সুযোগ নেই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র বলেন, এটিকে প্রশাসনের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত। পৌরসভার সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং পৌরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে পৌর কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য সবকিছু করবে।
ঐ গাইড লাইনে বলা হয়, (১) ব্যাটারি চালিত যানবাহন সমূহের নিরাপত্তাগত দিক সন্তোষজনক না হওয়ায় সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনার আলোকে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে এদের চলাচল বন্ধ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত অব্যাহত রাখতে হবে,