
২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার দায়িত্বে ৫৭৫ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। ময়দান পাশে থাকবে অবজারভেশন পোস্ট। রাতে এ পোস্টগুলোতে নাইটভিশন বাইনোকুলার ব্যবহার করা হবে । ইজতেমার অতিরিক্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আমর্ড পুলিশ, র্যাব, নৌ পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করে যাবে।
মুসল্লিদের জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য র্যাবের অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিকেল টিম থাকবে সেখানে। ইজতেমা এলাকার আশপাশে ছিনতাই, পকেটমার, মলমপার্টি এবং বিভিন্ন দুর্ঘটনা এড়াতে পোশাকে ও সাদা পোশাকে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। ইজতেমায় কোন কিছু হারানো বা পাওয়া গেলে জেলা পুলিশের “হারানো প্রাপ্তি সহায়তা সেল” এর মাধ্যমে সেবা পেতে পারবেন।
গাড়ি পার্কিং সংক্রান্ত তথ্য ঃ জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচলের জন্য পৈরতলা বাসস্ট্যান্ড হতে কালীসীমা রোডে কোন গাড়ি প্রবেশ ও পার্কিং করা যাবে না। এ বিষয়ে পর্যাপ্ত ট্রাফিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা জেলা ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে।প্রেস রিলিজ