ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে রাত ১১টা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছিল।
সকাল ৯টা থেকে শহরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চবিদ্যালয়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটার উপস্থিতি থাকায় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা বাড়িয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারি ও পাঁচটি সদস্য পদে মোট ৪৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন, সেক্রেটারি পদে পাঁচজন এবং পাঁচটি সদস্য পদে ৩৭ জন প্রার্থী রয়েছেন।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান শাহীন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি এ বি এম মোমিনুল হক এবং জেলা জামায়াতে ইসলামের চিকিৎসক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
সেক্রেটারি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বর্তমান সেক্রেটারি ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, কামরুল ইসলাম, জেলা কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সাবেক সভাপতি ও রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক যুব প্রধান শেখ মাহবুবুর রহমান, মো. লুৎফুল হাই ভূঞা, মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং অ্যাডভোকেট মো. শাহ ওয়াসিম।
রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে মোট ভোটার ১০ হাজার ৬৪৫ জন। এর মধ্যে আজীবন সদস্য ৯ হাজার ৪৬৬ জন এবং বার্ষিক সদস্য ১ হাজার ১৭৯ জন।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোশররফ হোসেন ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান চৌধুরী।
নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মোশররফ হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ, উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। উৎসবমুখর পরিবেশে অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি জানান, নির্বাচনে মোট ৪ হাজার ১৬২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
