The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজত নেতাকে বাদ দিয়ে আওয়ামী ডোনারকে বিদ্যালয়ের সভাপতি পদে সুপারিশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের শাহবাজপুর সৈয়দা হোসেনা আফজাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি মনোনয়নে রহস্যজনক কারণে হেফাজত নেতাকে করা সুপারিশ ২০ দিন পর বাতিল করে আওয়ামী ডোনারকে সভাপতির সুপারিশ করেছে জেলা প্রশাসন। গত ২ মার্চ জেলা প্রশাসক দিদারুল আলম স্বাক্ষরিত পত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লার চেয়ারম্যান বরাবর সাবেক সিবিএ নেতা মামুন নাজিরকে সভাপতি পদে মনোনয়নের জন্য সুপারিশ করা হয়। কিন্তু এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারী হেফাজতে ইসলামের জেলা কমিটির সহ ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক সুলাইমানকে সভাপতি পদের জন্য সুপারিশ করে প্রস্তাবনা পাঠিয়ে ছিল জেলা প্রশাসন। এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছে ভোক্তভুগি।
আবেদন পত্র সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগষ্ট ফ্যাসিবাদ সরকারের পতনের পর সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাবেক কমিটি বিলুপ্ত করে এ্যাডহক কমিটি গঠনের আদেশ দেয় সরকার। এর প্রেক্ষিতে সৈয়দা হোসেনা আফজাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৩ জনের নাম সুপারিশ করে। সেই তালিকা থেকে গত ১০ ফেব্রুয়ারী ২ নং ক্রমিকে থাকা সুলাইমানকে সভাপতি পদের জন্য সুপারিশ করে জেলা প্রশাসক, যাহার স্মারক নং ০৫.৪২.১২০০.০১৮.০৮.০২৭.২৫.২০০। কিন্তু রহস্যজনক কারণে ২০দিন পর গত ২ মার্চ ফের তালিকায় ১ নং ক্রমিকে থাকা মোঃ মামুন নাজিরকে সভাপতি পদের জন্য সুপারিশ করে জেলা প্রশাসন। এ অবস্থায় বিষয়টি আমলে এনে ১ নং ক্রমিকের নাম বাতিলক্রমে পুনরায় বিগত ১০/০২/২৫ তারিখের আদেশটি বাস্তবায়নের দাবি জানান ভুক্তভোগী।
এ ব্যাপরে ভুক্তভোগী হেফাজত নেতা সুলাইমান বলেন, গত ১০ ফেব্রুয়ারী আমাকে সভাপতি পদে সুপারিশ করে কুমিল্লা বোর্ডে চিঠি দেয় জেলা প্রশাসক। ২০ দিন পর জানতে পারি আমার নামে সুপারিশ বাতিল করে মামুন নাজির নামে একজনকে সভাপতি পদের সুপারিশ করা হয়েছে। মামুন নাজির বিগত ১৫ বছর আওয়ামীলীগের সবচেয়ে বড় ডোনার ছিল।
হেফাজত নেতাকে দেয়া মনোনয়ন বাতিল করে কেন আওয়ামীলীগের ডোনারকে সুপারিশ করা হয়েছে? এমন প্রশ্নে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি তাহমিনা আক্তার বলেন, লেটেস্ট চিঠি কার্যকর হবে। সভাপতি পদে সুপারিশ প্রাপ্ত মামুন নাজিরকে তিনি বিএনপির পদদারী নেতা বলে দাবি করেন।
তবে সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু জানান, বিগত ১৫-২০ বছরে কোনদিন মামুন নাজিরকে বিএনপি করতে দেখিনি। বিএনপির কোন পর্যায়ে তার সাধারন সদস্যপদও নেই।

Exit mobile version