
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক প্রসূতি জন্ম দিয়েছিলেন জোড়া মাথার ছেলে সন্তান। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে জেলা শহরের সুপার ক্রিসেন্ট হাসপাতাল নামের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে শিশুটির জন্ম হয়। তবে জন্মের দুই ঘণ্টার মধ্যে শিশুটি মারা যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিশুটির মাথা দুটি হলেও শরীর একটি, হাত ও পা ছিল দুটি করে।
শিশুটির কমন হার্ট ছিল, হার্টটি গলার কাছে ফোলা ছিল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক জাকিয়া সুলতানা রুনা জানান, শুক্রবার রাতে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে জেলার আখাউড়ার এক গর্ভবতী আসেন। পরে তাকে আল্ট্রা করতে দেওয়া হয়। তখন অস্বাভাবিকতার বিষয়টি ধরা পড়ে।
পরে প্রসূতির স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে শিশুটিকে অক্সিজেন দেওয়ার কথা বললে পরিবার রাজি হয়নি। জন্মের দুই ঘণ্টা পরই শিশুটি মারা যায়।
চিকিৎসক জাকিয়া সুলতানা আরো জানান, ডিম্বাণু-শুক্রাণুর জিনগত সমস্যার কারণে এ ধরনের শিশুর জন্ম হয়ে থাকে।
প্রত্যেক প্রসূতির গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহের মধ্যে একটা ‘অ্যানোমেলি টেস্ট’ (অসংগতি পরীক্ষা) করানো উচিত। এ ধরনের জটিল সমস্যা দেখা দিলে সচেতন অভিভাবকরা গর্ভপাত করিয়ে ফেলেন। কারণ, এ ধরনের শিশু বাঁচিয়ে রাখা যেমন কঠিন, আবার বাঁচলেও শিশু এবং পরিবারের সারা জীবন ভোগান্তি পোহাতে হয়, অস্ত্রোপচারও অত্যন্ত ব্যয়বহুল।