
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, এমন হ্যান্ডসেট প্রাথমিকভাবে দেশের নেটওয়ার্কে সচল থাকবে। তবে এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহককে ৩০ দিনের মধ্যে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে কেবল বৈধ হ্যান্ডসেটকেই নিবন্ধন করে নেটওয়ার্কে সচল রাখা হবে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, বিদেশ থেকে ক্রয় করা বা উপহারপ্রাপ্ত মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য গ্রাহককে প্রথমে neir.btrc.gov.bd পোর্টালে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করতে হবে। এরপর Special Registration সেকশনে গিয়ে মোবাইলের IMEI নম্বর দিতে হবে।
এরপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের স্ক্যান কপি বা ছবি— যেমন পাসপোর্টের ভিসা বা ইমিগ্রেশন পৃষ্ঠা, ক্রয় রশিদ ইত্যাদি— আপলোড করে Submit করতে হবে। হ্যান্ডসেট বৈধ হলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। বৈধতা না পেলে এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানিয়ে সেটি নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, চাইলে মোবাইল অপারেটরদের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সহায়তাও নেওয়া যাবে।
যেসব কাগজপত্র লাগবে?
বিটিআরসি জানিয়েছে বিদেশ থেকে ক্রয় করা হ্যান্ডসেটের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে—
১. পাসপোর্টের ব্যক্তিগত তথ্যসম্বলিত পাতার ছবি।
২. পাসপোর্টে ইমিগ্রেশন সিলযুক্ত পাতার ছবি।
৩. ক্রয় রশিদ।
৪. প্রয়োজনে কাস্টমস শুল্ক প্রদানের প্রমাণপত্র (একটির বেশি হ্যান্ডসেট হলে)।
আর উপহারপ্রাপ্ত হ্যান্ডসেটের ক্ষেত্রে এসব ছাড়াও দিতে হবে ‘উপহারদাতার প্রত্যয়পত্র’।
অন্যদিকে এয়ারমেইলে প্রাপ্ত হ্যান্ডসেটের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে—
১. প্রেরকের পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
২. প্রাপকের জাতীয় পরিচয়পত্র।
৩. ক্রয় রশিদ।
৪. শুল্ক প্রদানের রশিদ (একটির বেশি হ্যান্ডসেট হলে)।
ব্যাগেজ রুল অনুযায়ী কত ফোন আনা যাবে? (বোল্ড হবে)
বর্তমান ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে দেশে আসার সময় আগে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত ১টি হ্যান্ডসেট ছাড়া সর্বোচ্চ আরও ১টি মোবাইল হ্যান্ডসেট বিনা শুল্কে এবং অতিরিক্ত ১টি শুল্ক দেওয়া সাপেক্ষে আনতে পারবেন।
বিটিআরসি জানিয়েছে, নিবন্ধন ছাড়া কোনো বিদেশি ফোন দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে চালু রাখা যাবে না।