
১২-বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহ্ আলী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেলে ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী কাশিনগর এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় বিজিবির সিঙ্গারবিল বিওপির টহলরত সদস্যরা তাদের আটক করে।
আটককৃতরা হল সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শ্রীপুরের জাইম ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের মো: মেহেদী হাসান , সরাইলের আশেক মিয়া ,টঙ্গী তুরাগের তারেক আহম্মেদ, জামালপুরের সালেহহীন, মাগুরার রবিউল আলম, শ্রীপুরের জুনাঈদ হোসেন, একই ইউনিভার্সিটি থেকে সদ্য পাস করা কুমিল্লা সদরের আবুল হাসনাত, আটঘরিয়া পাবনার মনিরুজ্জামান, আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এআইইউবি) টঙ্গীর ইয়াহিয়া হোসেন সাজ্জাদ,প্রাইম এশিয়া ইউনিয়নিভার্সিটির নেত্রকোনার নিয়াজ আহমেদ তুষার, শ্যামলী পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউটের রায়পুরা নরসিংদির মো. আরিফ, নর্দান ইউনিভার্সিটির ছাত্র ব্রাহ্মনবাড়িয়ার মো. সাইফুল ইসলাম, উত্তরা ইউনিভার্সিটির মনহরপুরের ছাত্র আলমগীর হোসেন ও ব্রাহ্মণাবড়িয়া সরকারি কলেজের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইমন। আটকদের বয়স ২০ থেকে ২২ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে।
বিজিবি সদস্যদের তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা সবাই ঢাকা থেকে ট্রেনে চড়ে সীমান্ত এলাকায় বিয়ার পান করতে এসেছেন বলে জানিয়েছে। তবে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা সেটি তদন্ত করার জন্য বিজয়নগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আলী আরশাদ জানান, তারা জঙ্গী টঙ্গী না। আমরা খোজখবর নিচ্ছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিরাসায় আত্মীয়ের বাড়িতে তারা এসেছিল সেখান থেকে সীমান্তে আসে। বিজয়নগর থানার ওসি আলী আরসাদ জানিয়েছেন, আটক কৃত ছাত্রদের বিষয়টি তদন্ত চলছে । আটক কৃতরা জানান পরীক্ষা শেষে তারা এখানে বেড়াতে এসেছিল।
।