
জানা যায়, প্রায় ৬ মাস আগে গ্রামের নুর ইসলাম, লাল খা, আনুয়ার খা, কুতুব আলী সহ কয়েকজন লোক দ্বারা সরকারি খালের জায়গা মাটি দ্বারা আবদ্ধ করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেন। এতে প্রায় ৪০ বিঘা জমিতে ফসল উৎপাদন করতে পারছে না এবং বৃষ্টি হলেই গ্রামে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় । দীর্ঘ দিন এলাকার সর্দার গণ বিচার সালিশ করেও এতে কোনো কাজ হয়নি, পরবর্তীতে চেয়ারম্যান বরাবর দরখাস্ত করেও কোনো লাভ হয়নি নিরুপায় হয়ে উপজেলা ও জেলা প্রশাসকের বরাবর এলাকা বাসীর পক্ষ থেকে আলমগির হোসেন ও ফজলুর রহমান দরখাস্ত করেন৷
এর প্রেক্ষিতে এলাকার প্রায় ৪০ বিঘা জমির ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় এবং গ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে আজ মঙ্গলবার উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাহবুবুর রহমান অভিযান পরিচালনা করে খালটি উদ্ধার করেন। এ উদ্ধার অভিযান কালে উপজেলা ভূমি সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা, মেম্বার মোহাম্মদ সোলেমান মিয়া ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।এব্যপারে সহকারী কমিশনার ভুমি মো,মাহবুবুর রহমান বলেন,খাল ভরাট করায় ফসলী জমিতে চাষাবাদ ব্যাহত হয় এবং এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে খালটি উদ্ধার করা হয়।