ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে তিতাস নদী থেকে মুকবুল হোসেন গুড্ডু (৩৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) মামলার আসামিদের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার পাঠামারা গ্রামের লোকজন উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় ও বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার সামনে জড়ো হন। এ সময় তাঁরা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
নিহত মুকবুল হোসেন গুড্ডু ছলিমাবাদ ইউনিয়নের প্রয়াত মোহন মিয়া ব্যাপারীর ছেলে। তিনি পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিতাস নদীতে বালু উত্তোলনের একটি ড্রেজার ব্যবসায় রুবেল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর অংশীদারত্ব ছিল।
এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশ অবিদ মিয়া, বিল্লাল হোসেন, আকলিমা আক্তার আখি ও রুবেলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। পরে আদালত তাঁদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আসামিদের থানায় রিমান্ডে আনার খবর পেয়ে পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দারা থানার সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা ‘মুকবুল হত্যার বিচার চাই’ ও ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, মুকবুল হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াসিন বলেন, আসামিদের রিমান্ডে আনা হয়েছে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবে।
