The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

বাঞ্ছারামপুরে নিখোঁজের ৬ দিন পর নৌকার সঙ্গে বাঁধা-ইট দিয়ে ডুবিয়ে রাখা মরদেহ উদ্ধার

বাঞ্ছারামপুরে নিখোঁজের ছয় দিন পর তিতাস নদী থেকে মুকবুল হোসেন গুড্ডু (নামটি সূত্রে এভাবেই উল্লেখ আছে) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পানির তলদেশে একটি নৌকার নিচের অংশের লোহার অ্যাঙ্গেলের সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের মিরপুর এলাকায় তিতাস নদী থেকে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দলের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।
মুকবুল হোসেন ছলিমাবাদ ইউনিয়নের মৃত মোহন মিয়া ব্যাপারীর ছেলে। তিনি পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দা। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তিনি তিতাস নদীতে বালু উত্তোলনের একটি ড্রেজার ব্যবসার অংশীদার ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর ড্রেজার থেকে নিখোঁজ হন মুকবুল। এরপর স্বজন ও স্থানীয়রা নদীসহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে ২২ সেপ্টেম্বর বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
এদিকে একই এলাকায় রুবেল মিয়া নামে আরও একজন নিখোঁজ হন। শনিবার রাত ১০টার দিকে তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় তাকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসা দেওয়া হয়। রুবেল মিয়া মুকবুলের ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন।
মুকবুলের সন্ধান না পাওয়ায় পুলিশ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল রোববার সকাল ৮টা থেকে মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
প্রায় পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশির পর দুপুরের দিকে নদীর পানির তলদেশে একটি নৌকার সঙ্গে লোহার অ্যাঙ্গেল ও রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মুকবুলের মরদেহের সন্ধান পান ডুবুরিরা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে একজনের মরদেহ থাকতে পারে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৮টা থেকে তল্লাশি শুরু করা হয়। দুপুর দেড়টার দিকে পানির তলদেশ থেকে নৌকার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।
Exit mobile version