
মো. লাল মিয়ার ভাই রমজান আলীর স্ত্রী নাছিমা বেগম মুঠোফোনে বলেন, ‘বাড়িতে কেউ নাই। মামলা করার বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। আর কে কই আছে, তাও আমি জানি না।’
কালিকাপুর গ্রামের লাল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, লাল মিয়ার বাড়িতে সুনসান নীরবতা। নারী-পুরুষ-শিশু কেউ নেই বাড়িতে। আশপাশের কেউ এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
অন্যদিকে, গ্রামে বিরোধ থাকলেও মৃত্যুর পর আবদুছ ছালাম ব্যাপারী ও লাল মিয়ার লাশ গত রোববার বেলা একটা থেকে সারা রাত একটি কক্ষেই ছিল। সোমবার সকালে একই অ্যাম্বুলেন্সে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে আবার একই অ্যাম্বুলেন্সে করে কালিকাপুর গ্রামে যাওয়ার কথা পুলিশের। দুটি মরদেহ কালিকাপুরের একই কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অংশু কুমার দেব বলেন, ওই ঘটনায় কুমিল্লার হোমনা উপজেলার দাড়িগাঁও গ্রামের মো. শাহ আলম (৪০) ও কালিকাপুরের রহমত আলীকে (৭৫) ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।