The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

বাঁশ তত্ত্ব (গ্রেট শো অন আর্থ)

(হাসতে মানা। চুলকায়া মজা না পাইলে পয়সা ফেরত।

স্কুল জীবনে বাঁশ আর বানরের ঐ অঙ্কটি করতে গিয়ে ভেবাচেকা খায়নি এমন স্টুডেন্ট খুব কমই খুজে পাওয়া যাবে। যেখানে একটি বানর একটি তেলমাখা বাঁশ বেয়ে ছ’ফুট উপরে উঠে তো আবার দু’ফুট নিচে নেমে যায়। অনেক কষ্টে ঐ অঙ্কের উত্তর মিলাতাম ঠিকি, কিন্তু একটা জিনিস কিছুতেই বুঝে উঠতে পারতাম না। আর তা হল, পৃথিবীতে এত বাঁশ থাকতে বানরটি ঐ তেল মাখা বাঁশটিতেই উঠতে গেল কেন। কিন্তু এখন তা বুঝি। এখন সেই প্রশ্নের উত্তর হরহামেসাই পাই আমাদের দেশের সৎ এবং দায়ীত্ত্ববান মিডিয়ারগুলোর মাধ্যমে।

বেশ কিছুদিন ধরেই আমাদের দেশে বাঁশ নিয়ে বেশ তোলপার চলছে। একদিকে তো চলছে বাঁশ দিয়ে বিল্ডিং নির্মানের কাজ, যা আমাদের জন্য খুবি খুশির খবর; অন্যদিকে বাঁশখালীতে চলছে বুকের রক্ত ঢেলে অস্তিত্ত্ব রক্ষার চেষ্টা। যা চোখের জলে ভাসিয়েছে সবাইকে। এই দুক্ষেত্রেই বাঁশের ভুমিকা কিন্তু বেশ ব্যাপক। তবে হঠাৎ বাঁশের এমন মর্যাদা বৃদ্ধিতে আমাদের অবাক হওয়ার কিছুই নেই। বাঁশের গুরুত্ত্ব আমাদের দেশে বরাবরি বেশ ব্যাপক ছিল। এর উপকারীতাও ছিল বেশ বিচিত্র। সুখে দুঃখে বাঁশ সবসময় আমাদের পাশে এসে দাড়িয়েছে। বন্ধুর মত বাড়িয়ে দিয়েছে তার কঞ্চিগুলো।

আসলে এই বাঁশ কীভাবে সুখে দুঃখে সবসময় আমাদের পাসে এশে দাড়িয়েছে , তা নিচের এই ছবিগুলো এবং তার কোটেশনগুলো লক্ষ করলেই আমরা খুব সহজেই বুঝতে পারব।

আমরা সবাই জানি, বর্তমানে পদ্মা সেতুর কাজ চলছে। কিন্তু ভাবুনতো একবার, বিশ্ব ব্যাংকের অমন পিছুটানে যদি আমাদের আর কোনো উপায় না থাকত, তখন কী হোতো ? তখন কিন্তু বাঁশই হতে পারত আমাদের একমাত্র অবলম্বন। আমাদের আশার আলো।

সম্প্রতি যুগান্তকারী আবিষ্কৃত এক পদ্ধতি, সরকারী ভবনে বাঁশের ব্যাবহার আমাদের দেশে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচোন করে দিয়েছে। এতেকরে রক্তচোষা সাম্রাজ্যবাদীদের উপর আমাদের নির্ভরশীলতা ব্যাপক হারে কমে এসেছে। স্টীল আমদানীতে ব্যয় এখন প্রায় শুন্যের কোঠায় নিয়ে আসা সম্ভব। ওদের আছে স্টীল তো আমাদের আছে কাচা বাঁশ।

এই বাঁশ হতেপারে আমাদের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান হাতিয়ার। এতেকরে আমরা বিদেশি অস্ত্রের উপর নির্ভরশীলতা ব্যাপক হারে কমাতে পারি। বিশেষ করে মেড ইন চায়না।


(মার হালারে, মাইরালা)

বাঁশ হতেপারে আমাদের দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গর্বের বিষয় এবং একটি বিশেষ আইডেন্টিটি মার্ক।


(এইখানে অভিযোগ জানাতে চাইলে তেল নিয়ে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ এইখানে বাঁশের সাথে তেল ফ্রী। )

আকারে বাঁশ অতিকায় লম্বা হলেও, ইহা কিন্তু একটি অত্যান্ত কার্যকরী গুতা (খোচা) দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করা যেতে পারে।

বাঁশ হতে পারে………..

(এই ছবিটির ব্যাবহারের উদ্দেশ্য কেবলি মজা করা। কেউ আঘাত পায়া থাকলে কতৃপক্ষ দায়ী থাকিবে না)

অধিক উৎপাদনের ফলে বাঁশের মুল্য হ্রাস পেলে লস খাওয়ার কোনো চান্স নাই। প্রতিবেশি কোনো একটি দেশের সাথে দু’একটি ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করলেই সমাধান আসতে বাধ্য। সুতবাং নিশ্চিন্তে বাঁশ চাষ করুন।

বাঁশ হতেপারে বন্ধুত্ত্ব পরিমাপের একক……….

কেউ নিজেকে ফরমুলা ওয়ান চ্যাম্পিয়নদের থেকেও বাইক চালানোয় নিজেকে বেশি পারদর্শী মনে করলে এভাবে চালিয়ে প্রমাণ দেখাতে পারেন।

গাছ গাছালীর মাথার উপর কেমনে চরে রই………..

”’
””
””
এবার একটু ইমোশনাল হই। ….ভান কইরা ভাল নাই, চোক্ষে জল আইবো না।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন হাজারো কিশোর কিশোরীকে দমাতে পারেনি দূর্নীতিতে ক্ষইয়ে যাওয়া কোনো এক বহুল প্রতিক্ষিত ব্রিজ কিংবা কালভার্ট।

বাঁশের বেরায় ঘেরা বিদ্যাপিঠ।……… আপনাদের মত দালান কোঠায় নাই আমাদের, ইচ্ছাশক্তিই আমাদের দালান কোঠা।

স্পিছলেস………….

………………………।

এবার বাঁশের সুবিধা এবং অসুবিধাঃ

১। ভবন নির্মানে বাঁশ ব্যাবহার করলে, হাজার হাজার বছর পরেও তাতে মরিচা ধরারা কনো চান্স নেই।
২। অনেকগুলো বাঁশ/বাস যুক্ত বাংলা শব্দের পরিবর্তে একটি মাত্র শব্দ ( বাঁশ ) ব্যাবহার করা যেতে পারে।
সেগুলো হলঃ
সাবাশ
অমনিবাস
বসবাস
ভালোবাসা(বাশ)
বাশখালী
সহবাস
ইত্যাদি।

অপকারিতাঃ
১। শুধুমাত্র বাঁশ দেওয়া ছারা বাঁশের কোনো অপকারিতা নাই।

সুতরাং, বেশি করে বাঁশ লাগান, রডের উপর চাপ কমান।

{ বিঃ দ্রঃ ছবি সমুহ ফেবু এবং গুগল মামুর কাছথেকে ধার করা। }

Exit mobile version