
এডঃ লুৎফুল হাই সাচ্চু সেই সময় বয়সে অনেক তরুণ ছিলেন। কিন্তু তিনিও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাই এই আগস্ট মাসে তাদের কথা স্মরণ করে আমরা তাদের নামে দুটি সড়ক উৎসর্গ করছি। এই আগস্ট মাস হচ্ছে বাঙালির শোকের মাস। এই মাসকে আমরা একটু ভিন্ন ভাবে দেখার চেষ্টা করব। তার কারণ আমরা এই মাসে একটু বেশি শক্তি সঞ্চয় করতে চাই। এই মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও সহযোদ্ধাবৃন্দ শহীদ হয়েছিলেন। তাদের সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্যই পুরো মাসটিকে শোকের মাস হিসেবে পালন করছি। এই শোকের মাসে তাদের স্মৃতি এবং তাদের দেশপ্রেমের প্রেরণাকে নিয়ে আমরা উজ্জীবিত হবো। আমরা শোককে শক্তিতে পরিণত করবো। তিনি এই সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বেশ কয়েকটি রাস্তাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিদ্ধোদের নাম করণ করার জন্য অভিমত ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানস্থলে আগত পৌর নাগরিকদের পক্ষ থেকে পৌরসভার দুই দুইবারের চেয়ারমান মুক্তিযুদ্ধে সময় সমুখ যুদ্ধে অংগ্রহণকারী এডঃ হুমায়ুন কবীরে নামে একটি রাস্তাও এবং মার্কেটের নামকরণ করার দাবী আসে। তাদের দাবীর প্রেক্ষিতে মোকতাদির চৌধুরী বলেন, পৌর পরিষদ একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে অচিরেই হুমায়ুন কবীরের নামে দুটি স্থাপনার নামকরণ করার জন্য পৌর পরিষদদের প্রতি আহবান জানান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান, পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান পিপিএম (বার), জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মনবাড়িয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্টির সভাপতি ও এফবিসিআইর পরিচালক আলহাজ্ব আজিজুল হক, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, কাউন্সিলার দের পক্ষে প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব ফেরদৌস মিয়া। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা শিল্প কলা একেডেমির সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণি সজিব।