
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন ট্রেনে এসে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে গিয়ে নানা বিড়ম্বনা ও হয়রানির শিকার হয়। বাধ্য হয়ে মহিলা পুরুষ ও শিশুরা পায়ে হেঁটে ৮-১০ কিলোমিটার সড়ক অতিক্রম করে। অনেক মহিলাকে ট্রাক্টরে ওঠতেও দেখা যায়। এক সময় বিশ্বরোডমোড় একেবারে যানবাহন শুন্য হয়ে পড়ে। শ্রমিকরা লাঠি হাতে থেমে থেমে মিছিলও করেন। তাদের দাবী হচ্ছে সরকার নতুন আইনে দূর্ঘটনায় মানুষ মারা গেলে ৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৫ বছরের জেল। দৈনিক ৫ টাকা বেতনে চাকুরি করে ৫ লাখ টাকা কোথায় থেকে দিব। এ আইন সংধোধন করতে হবে।
অপরদিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নেতারা বলেন, এটা চাঁদাবাজ নেতাদের সাজানো নাটক। সরকার অসহায় দরিদ্র শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি, শ্রমিকদের দায়িত্বের সময় ৮ ঘন্টা করা ও ওভারটাইম দেওয়া, সড়ক দূর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিকদের আর্থিক সহযোগীতা নিশ্চিত করা সহ ১২ ধরনের সুযোগ দেওয়ার দাবী সরকারের। এতে চাঁদাবাজ সংগঠনের নেতাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তারাই এ অযৌক্তিক আন্দোলনের ইন্ধন দিচ্ছে।