
থানায় এজহার সূত্রে জানা গেছে, ধরমন্ডল মৌজার ১১৭৬৪, ১১৭৬৩ ও ১১৭৬২ দাগের ৪০ শতক জায়গা পৈত্রিক সূত্রে মঈনুদ্দিন মালিক হয়ে ভোগদখল করে আসছে। তাদের জায়গায় ঘর তুলতে গেলে পাশের বাড়ির গিয়াস উদ্দিন বাধাঁ দেয় । পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিচার সালিশ করে সিমানা নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু গিয়াস উদ্দিনের পক্ষের লোকজন ওই আপোষ মিমাংসা অমান্য করে মঈনুদ্দিনের লোকদের বিভিন্ন বাবে হুমকী প্রদান করে।
এদিকে গত শনিবার মঈনুদ্দিন তার নিজের জায়গায় ঘরবাড়ি নির্মাণ করতে গেলে গিয়াসের লোকজন বাধা প্রদান করেন। বাধা উপেক্ষা করে ঘর তৈরি করতে গেলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এসময় সংঘর্ষে মঈনুদ্দিনের পক্ষের ৪ জন আহত হয়। আহতরা হলো- মো. ছরুক মিয়া, মো. রাদেন মিয়া ও হাজেরা খাতুন। এ ছাড়াও ঘরে তাকা একটি গবাদী পশুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এবং বাড়ি ঘরে হামলা করে লুটপাটের অভিযোগ করেন মঈনুদ্দিন। এ ঘটনায় তিনি নাসিরনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ভোক্তভুগী মঈনুদ্দিন জানান, আমার বাড়িতে পাকা ভবন করতে গেলে পাশের বাড়ির গিয়াস উদ্দিনের লোকজন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। পরে আমার ঘরবাড়িতে হামলা করে। আলমারিতে থাকা নগদ ৫ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।
এদিকে গিয়াস উদ্দিনের সাথে কথা বলতে চাইলে তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। কথা হয় তার বোন আনোয়ারার সাথে। তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের জায়গা দখল করে তারা ঘর নির্মাণ করছে। বাধা দিলে তারা আমাদের উপর হামলা করে। আমরা কারো উপর হামলা করিনি।
নাসিরনগর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কবির হোসনে বলেন, ঘটনার বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।