
নিহতের ফুফাতো ভাই মো. তানিফ জানায়, ২০১৭ সালে লাখাই উপজেলা ফুলবাড়িয়া গ্রামের আসকির আলীর মেয়ে নার্গিস আক্তার অপুর বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ আদালতে নারী নির্যাতনের একটি মিথ্যা মামলা করে। পরে বিষয়টি সামাজিকভাবে নিস্পত্তি করা হয়। এর পরও বিভিন্ন সময় অপুকে টাকার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। সর্বশেষ গত একসপ্তাহ আগে হবিগঞ্জের সায়েস্তাগঞ্জ প্রাণ কোম্পানির সামনে থেকে অপুকে অপহরণ করে নিয়ে যায় নার্গিস। একটি রুমে তালাবদ্ধ করে হুমকী দিয়ে বিয়ের মিথ্যে কাবিননামা তৈরি করে। এর পর থেকেই টাকার জন্যঅপুর পরিবারকে চাপ দেয় নার্গিস। অপুর পরিবার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে ওই নারী ১২ ঘন্টার মধ্যে অপুকে তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে। তা না হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেয়ার হুমকী দেয়। মানসিক চাপ সইতে না পেরে অপুর বাড়ির পাশে জাম্বুরা গাছে গলায় রশি বেঁধে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে অপুর পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।
নাসিরনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান জানান,লাশটি উদ্ধারকালে গলার একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন লক্ষ্য করা গেছে। নিহতের পরিবার থানায় একটি সাধারন ডায়রি নথিভুক্ত করেছে।