
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,ইলিয়াছ মিয়া ও সোহাগ মিয়ার পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে ৭ এপ্রিল এক ভয়াভহ সংঘর্ষ হয়। উভয় পক্ষের শত শত লোক দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সংর্ষে জড়িয়ে পড়লে দুপক্ষের দশ জন আহত হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াজ্জিস মিয়ার লাশ দফন করার পর তাদের সকল আত্মীয়স্বজনরা মিটিং করে কি ভাবে সোহাগ মিয়ার বাড়ি লুট করা যায়। ছোরাপ মিয়ার পক্ষের উত্তেজিত লোকজন সোহাগ মিয়ার বাড়ি সহ তার পক্ষের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে অন্তত ২০টি বসতঘর ভাংচুর করে এবং ঘরের মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশের একটি টিম এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
নাসিরনগর থানার (ওসি) আবু জাফর বলেন, বাড়িঘরে হামলার খবর পেয়ে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। গতকাল সারারাত পুলিশ ছিল আজও আছে। পরিবেশ এখন শান্ত আছে।
