
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও মাদ্রাসার প্রিন্সিপালকে নিয়ে বিয়ে বাড়িতে গিয়ে মেয়ের পরিবারের লোক জনের সাথে কথা বলেন। বাল্য বিয়ে সম্পর্কে তাদের কে অবহিত করান ও বাল্য বিয়ে আইনগত অপরাধসহ নানা ধরনের বিষয়ে তাদের কে অবহিত করান। সাথে সাথে মেয়েকে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে যাতে বিবাহ না দিতে পারেন সে বিষয়ে অঙ্গিকারনামা নেওয়া হয়।
পরে ছেলে পক্ষের যৌতুক বাবদ ১ লক্ষ টাকা আগামী ২০ তারিখ ফেরত দিবেন বলে নিশ্চিত করেন।
এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: লিয়াকত আলী বলেন, আমরা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করেছি। এবং আঠার বছরের না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে ও পড়ালেখা করে যাওয়ার জন্য বলা হয়।