
তথ্যের বিষটি নিশ্চত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: লিয়াকত আলী সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে বিষয়টি অবহিত করলে এসআই সাধনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পৌছায়। পুলিশের উপস্থিতিরর বিষয়টি টের পেয়ে বিয়ে বাড়ি থেকে বর ও তার আত্মীয়স্বজন পালিয়ে যায়। পরে বিয়ে বাড়ি থেকে কনে ও তার পিতাকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) এর কক্ষে ডেকে পাঠান। ওই কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কনে নাজিরা আক্তার(১৫) অঙ্গীকারনামায় এই মর্মে স্বাক্ষর করেন যে তার ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেনা। পাশাপাশি পিতা তাইজ উদ্দিন একই সাথে অঙ্গীকার প্রদান করেন যে তার মেয়ের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিবাহের আয়োজন করবেন না।
প্রসংঙ্গত কনে নাজিরা আক্তার(১৫) দাতঁমন্ডল এরফানিয়া আলিম সিনিয়র মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণির ছাত্রী। অপরদিকে বর রাশেদ মিয়া একই উপজেলার নূরপুর গ্রামের তকদির হোসেনের ছেলে।