
হরিপুর বড়বাড়ি গেলে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতেই চোখে পড়বে কারুকাজ-খচিত দেয়ালের মন্দির। এর পশ্চিম পাশে উকিঁ দিলেই দুতলা বিশিষ্ট সুবিশাল বাড়ি। সব মিলিয়ে শতাধিক কক্ষ। বাড়ির এক প্রান্তে খেলার মাঠ আরেক প্রান্তে মহল পুকুর। কিন্তু কোথাও রডের দেখা নেই। একেকটি বীম দুই থেকে আড়াই ফুট চওড়া। উপরে উঠার জন্য সব মিলিয়ে ৪/৫ দিক থেকে সিঁড়ি। আছে রঙ্গমঞ্চ,নাটমন্দির,শয়ন কক্ষ ইত্যাদি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে লোকজনের বসবাস। তারা জানান, খালি বাড়ি পরে থাকায় আমরা ৩০ টি পারিবার প্রায় ৭০ বছর ধরে এখানে বসবাস করছি। সামনের অংশের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে মাঠির সাথে মিশে যারার উপক্রম। কোন কক্ষেরই পুরনো দরজা নেই।
এ ব্যাপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমেদ বলেন, এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক গুরত্বপূর্ণ প্রতœতত্ত্ব সম্পদ। হরিপুর বড় বাড়িটির সঠিক পরিচর্যা করলে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। বিশেষ করে শীতকালে এখানে দেশের বিভিন্ প্রান্ত থেকে পর্যটক আসেন।