
ওই সভায় বক্তারা নবীনগরবাসীর ঢাকা,কুমিল্লা, চট্রগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের গুরুত্বপুর্ণ মাধ্যম প্রধান এ সড়কের কাজে কোন ধরনের গাফিলতি ও অনিয়ম না করতে সংশ্লীষ্ঠদের বলেন। সে সময়ে সভার প্রধান অতিথির (ইউএনও) বক্তব্যে উক্ত কাজের গুনগত ও পরিমানগত মান বজায় রেখে রাস্তাটির কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করার জন্য সওজ বিভাগকে নির্দেশ দেন।
দেখা গেছে, কাজ শুরুর সপ্তাহ না পেরুতেই রাস্তায় ফাটল দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও সড়কের উচু নিচু গর্ত থাকার কারনে স্থানিয়রা কাজে অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। নবীনগর টুয়েন্টি ফোর ডট কমের প্রতিনিধি সরজমিনে এ সড়কের সংস্কার কাজ ঘুরে দেখার সময় আল আমিন নামে এক দোকানির সাথে কথা বলেন, ওই দোকানি জানায়, রাস্তার কার্পেট শুকানোর পরে রাস্তায় ফাটল দেখা যাচ্ছে। এ চিত্র রমজান মোল্লার মসজিদ এলাকায়। এছাড়াও রাস্তার বিভিন্ন স্থানে কিছু কিছু জায়গায় ফাটল ও ছোট ছোট ছিদ্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে । যা কিনা কয়েকদিনের মধ্যে বড় আকার ধারন করবে। স্থানীয়রা জানায়, শুরুর দিকে রাস্তার কাজের মান ভালো হলেও এখন তারা কাজে গাফিলতি করছেন বলে অভিযোগ তুলেন। উক্ত সড়কের পুনঃ সংস্কার কাজ দেখে এলাকাবাসীর মনে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
উপজেলা উপ সহকারী প্রকৌশলী আমির হুসেন খান বলেন, আমি অফিসিয়াল কাজে আজ (মঙ্গলবার) ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ায় খবর নিতে পারিনি। আগামিকাল এ বিষয়টি দেখবেন বলে তিনি মুঠোফোনে জানালেন।
নবীনগর বাঞ্ছারামপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী ফায়জুর রহমান জানান, আমার জানামতে এ ধরনের হয়েছে বলে মনে হয়না। তবে গতকালের কাজে কিছুটা গড়মিল থাকার কারনে যদিও এমন হয়ে থাকে আমি আগামীকাল বুধবার সকালে গিয়ে বিষয়টি দেখব। যদি ফাটল কিংবা গর্তের কারনে রাস্তার স্থায়ীত্ব দুর্বল মনে হয় পুনরায় এটিকে তুলে আবার কার্পেটিং বসানো হবে।