
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ি ১৯ জন প্রার্থী থেকে বাছাই করে তিনজনের নাম পাঠানোর কথা থাকলেও এর পরিবর্তে উপজেলা আওয়ামীলীগ ‘একক’ প্রার্থী হিসেবে একজনের নাম কেন্দ্রে পাঠায়। ওই একক প্রার্থীর নাম হাবিবুর রহমান সরকার ওরফে স্টিফেন। তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগে সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বাড়ি উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে। যে গ্রামে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর সাবেক আমীর ও রাজাকার গোলাম আজমের জন্ম। এদিকে প্রার্থী হাবিবুর রহমান একজন ‘ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা’ ও রাজাকার গোলাম আজমের ‘আত্মীয়’ এমন অভিযোগ এনে তাঁকে মনোনয়ন না দেয়ার দাবি জানিয়ে মনোনয়নয়ন প্রত্যাশি কাজী জহির উদ্দিন সিদ্দিক টিটু, সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস ও এইচ এম আল আমীন আহামেদ গত ৯ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংসদ এবাদুল করিমের ব্যক্তিগত পছন্দের প্রার্থী হিসেবে শেষ পর্যন্ত ‘একক’ প্রার্থী হিসেবে হাবিবুর রহমান স্টিফেনের নাম প্রস্তাব আকারে কেন্দ্রে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়। ওই সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে রোববার সন্ধ্যায় স্টিফেন সমর্থকরা নবীনগর সদরে বিক্ষোভ করে কাজী জহির সিদ্দিক টিটু, সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস ও এইচ.এম আল-আমিন আহমেদের লাগানো কিছু নির্বাচনী ব্যানার-পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছেন।
নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম বলেন,‘যারা দলের শৃংখলা ভঙ্গ করে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে আমাদের একক প্রার্থীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সহসাই দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এদিকে হাবিবুর রহমানের সংবাদ সম্মেলন শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ সম্মেলনকারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ সদরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
সংবাদ সম্মেলনে নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সুজিত কুমার দেব, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বোরহান উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন চৌধুরী সাহান,মোশারফ হোসেন সরকার সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।