
বৃহস্পতিবার রাতে নবীনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বদরুদ্দোজা চৌধুরী সাংবাদিকদের ফলাফল ঘোষনা করেন
আওয়ামীলীগের ৯ জন, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী ২ জন বে-সরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আর বি,এন,পি প্রার্থীদের কেউই জিততে পারেননি।
আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীক বিজয়ী হয়েছেন
ডা: আবুল কাশেম (নাটঘর),
এনামূল হক (বিদ্যাকুট),
শওকত আলী(কাইতলা দ:),
ফারুক আহম্মেদ(লাউর ফতেহপুর),
মাসুদ রানা(সাতমোড়া),
আলীআকবর(রছুল্লাবাদ),
আবু মোছা (ইব্রাহিমপুর),
আবুল হোসেন (বিটঘর),
আজহার হোসেন জামাল(শ্রীরামপুর),
মৌসুমী আক্তার বারী, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী(নবীনগর পূর্ব) ও
হাজী কবির আহম্মেদ(বীরগাঁও)
১১ ইউনিয়নে ২য় ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫২ জন প্রার্থী প্রতিদন্দ্বিতা করেন।
উল্লেখ্য আগামী ২৩ মার্চ নবীনগরে তৃতীয় ধাপে ৯ টি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নবীনগরের একমাত্র নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, নবীনগর উপজেলায় আজ বৃহস্পতিবার ৩০ মার্চ ২১টি ইউপির মধ্যে ১১টিতে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কাইতলা (দক্ষিণ), লাইরফতেপুর, বিদ্যাকুট, রসুল্লাবাদ, শ্রীরামপুর, বীরগাঁও, ইব্রাহিমপুর, সাতমোড়া, নাটঘর, বীটঘর প্রধান দুটি দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থী দিয়েছে। সব কটিতে প্রধান দুই দলের প্রার্থী থাকলেও কোনোটির মনোনয়ন তালিকায় নেই নারী প্রার্থী। নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্য দলগুলোতেও একই রকম চিত্র।
ক্ষমতাসীন দল থেকে কোনো নারী প্রার্থী না রাখার কারণ হিসেবে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বোরহান উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘নারীদের প্রতি আমাদের দল সব সময় শ্রদ্ধাশীল। তৃণমূল সমর্থনের জরিপে মৌসুমী আক্তার পিছিয়ে ছিলেন। জেলার নেতারা আলোচনা সাপেক্ষে দলীয় প্রার্থী হিসেবে শামীম রেজার নাম কেন্দ্রে প্রস্তাব করেছেন। কেন্দ্র থেকে শামীম রেজাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া অন্যান্য কেন্দ্রে নারী তেমন কোনো প্রার্থী না থাকায় পুরুষদের হাতে নৌকা প্রতীক তুলে দেওয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না।’
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মঞ্জু বলেন, উপজেলায় ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে নারীদের মধ্যে আগ্রহ এমন কাউকে পাওয়া যায়নি। এমন নারী প্রার্থী পেলে দল সে বিষয়টি ভেবে দেখত। অন্তত একজন নারী প্রার্থী রাখতে পারলে ভালো হতো বলে জানান তিনি। মৌসুমীর স্বামী আবুল খায়ের বারী নবীনগর পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। গত ২০ জানুয়ারি তিনি মারা যান। বর্তমানে চান মিয়া নামে এক ইউপি সদস্য এই ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন।
মৌসুমী আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী এলাকার উন্নয়ন নিয়ে জীবন কাটিয়েছেন। এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে চাই। বর্তমানে নারীরা অনেক দূর এগিয়েছে। উন্নয়নে অংশ নিচ্ছে। আমিও সেই যাত্রায় শামিল হতে চাই।’সূত্র:: প্রথম আলো