
এসময় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহবান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট সুজিত কুমার দেব, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোশারফ হোসাইন, নবাগত ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. সোহেল, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সামসুল আলম, পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি অজন্ত কুমার ভদ্র, অধ্যক্ষ এনামুল হক কুতুবী, অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক গৌরাঙ্গ দেবনাথ অপু, প্রেসক্লাব সভাপতি জালাল উদ্দিন মনির, ইসলামী ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা মেহেদী হাসান, মডেল মসজিদের ঈমাম হাফেজ বেলাল হোসাইন, ইসকন মন্দিরের সেবায়েত প্রাণকৃষ্ণ দাস গোস্বামী প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, নবীনগরে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে যে চমৎকার ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির বন্ধন বিদ্যমান রয়েছে, সেটি সারাদেশের জন্য অনুকরণীয় মডেল হতে পারে।
সেজন্য বক্তারা নবীনগরের আলেম সমাজকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। কারণ এই আলেম সমাজই প্রতিটি ঘটনার পর বারবার এরকম সম্প্রীতি সভা করে নবীনগরে একটি ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ করে চলেছেন।
সভার উদ্যোক্তা ও সভাপতি ইউএনও একরামুল ছিদ্দিক নবীনগরকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি অসাধারণ ও অনুকরণীয় মডেল আখ্যা দিয়ে দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, সম্প্রীতির এই নবীনগরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনস্ট করার লক্ষে কেউ যদি ন্যুনতম চেষ্টা করে, তবে তাকে দেশের প্রচলিত আইনে কঠোরভাবে দমন করা হবে।বিশেষ করে ফেসবুকে কেউ উস্কানীমূলক কোন লেখা লিখে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেস্টা করলে, তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন।