
জানা যায়, সমবায় মার্কেট কর্তৃপক্ষ সমস্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু করার নির্দেশ প্রদান করার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিমের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। কাগজে কলমে মার্কেটের জায়গায় নবীনগর পৌরসভা থেকে ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর বাণিজ্যিক ইমারতের নকশা অনুমোদন পায় সমবায় কর্তৃপক্ষ।
সূত্রে জানা যায়, আধুনিক সমবায় সুপার মার্কেটের এক সাইডের সৌন্দর্য বর্ধনে পিলার ও আরেক সাইডে টিনের ঘর ভেঙে ফাউন্ডেশন নিয়ে বহুতল বিল্ডিং নির্মাণে একাধিক বাধার সম্মুখীন হচ্ছে সমবায় কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, এ বহুতল মার্কেট নির্মানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একাধিক মহল। অপরদিকে নবীনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আলমগীর হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যেখানে উল্লেখ করা হয় সমবায় মার্কেটের পুরনো অংশ ভেঙে নতুন করে মার্কেট নির্মাণ করলে কলেজ ক্যাম্পাসের প্রবেশপথ সরু হয়ে যাবে। বিষয়টি অবগত হয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল নির্মাণ কাজ আপাতত বন্ধ রাখার কথা বলেন, বলে জানান সমবায় কর্তৃপক্ষ।
সমবায় কর্তৃপক্ষ জানান, মার্কেটের শেষাংশে কলেজের রাস্তাটি দশ ফুট প্রশস্থ এবং মার্কেট ও কলেজের মাঝামাঝি রাস্তাটি ১২ ফুট প্রশস্থ। বর্তমানে যে অংশে নতুন করে দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে সেখানে আরও ৩ ফুট ছেড়ে দিয়ে সর্বমোট ১৬ ফুট প্রশস্থ করা হয়েছে রাস্তাটি। এছাড়াও কলেজে প্রবেশপথের রাস্তাটি সমবায় মার্কেট কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সম্পত্তি বলে জানা যায়। নতুন করে দোকান ঘর নির্মাণ করলে কলেজ ক্যাম্পাসের গেইট মার্কেটের পিছনে পড়ে কলেজের ঐতিহ্য হারিয়ে যাবে বলে উক্ত অভিযোগপত্রটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল করে মার্কেটের কাজে বিঘ্ন ঘটানোর কারণে বিপাকে পড়েছে উক্ত মার্কেটের ব্যবসায়ীরা।
সমবায় সুপার মার্কেট এর সভাপতি নূরুল ইসলাম সরকার বলেন, সঠিক তথ্য উপাত্ত জেনে মানবিক চিন্তা করে মার্কেট নির্মাণের অনুমতি দেবেন নবীনগরের অভিভাবক মাননীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল।
নবীনগর পৌর সভার মেয়র এডভোকেট শিব শংকর দাস বলেন, পৌরসভার আইন মেনে সঠিকভাবে অনুমোদন নিয়েই মার্কেট সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম জানান, এই বিষয়টি জেলা পরিষদ ও সমবায়ের, এখানে উপজেলা প্রশাসনের কিছু করার নাই। উনারা যদি মনে করেন বিষয়টি নিয়ে বসতে পারেন।
নবীনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আলমগীর হোসেন জানান,নবীনগরের প্রাচীন কলেজটির প্রবেশপথ সরু হয়ে যাবে মমে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছি। পাশাপাশি এমপি মহোদয়কে বিষয়টি অবগত করেছি। তিনি বিস্তারিত দেখে সিদ্ধান্ত দিবেন।