
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক নজরুল ইসলাম কে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে পৌরএলাকার কেরামত আলি টাওয়ারের এক বাসায় নিয়ে গিয়ে পূর্বে থেকে উৎপেতে থাকে একদল মুখোশধারী সন্ত্রসী তার উপর হামলা করে। এসময় তার হাত-পা ও মুখে কস্টেপ দিয়ে বেঁধে অমানুষিক নির্জাতন চালানো হয়। পরে নির্যাতনের এক পর্যায়ে ওই শিক্ষকের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তাকে বিবস্ত্র করে একটি মেয়ের সাথে অপত্তিকর অবস্থায় ছবি ও ভিডিও ধারন করে ৫লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করা হয়।
এঘটনায় স্থানীয় শিক্ষক সমাজের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।
এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে কেউ কেউ বলছে এলাকায় হাজার হাজার শিক্ষক রয়েছে তাদের কারো উপরই সন্ত্রাসীরা হামলা করেন না। শুধু নজরুল মাষ্টাকেই সন্ত্রাসীরা হামলা করে মুক্তিপন দাবি করেন। বিষয়টা মাথায় ধরেনা। এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানান তারা।
নবীনগর থানার ওসি রনোজিত রায় অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উল্লেখ্য যে, নির্যাতনের শিকার শিক্ষক নজরুল ইসলাম বিরুদ্ধে এলাকায় ছাত্রীদের যৌন হয়রানির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। গত বছর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে এই শিক্ষককে তার স্কুল থেকে সাময়ীক বহিস্কারও করা হয়েছিলো। গত মঙ্গলবার রাতে তার উপর হামলার ঘটনা নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রয়া দেখা দিয়েছে।