
সুত্র জানায়, এলাকার মৃত সফর আলীর ছেলে সালাউদ্দিন (১৮) ওইদিন রাতে অটোরিকশার বেটারি থেকে এসিড এনে তারই খালোতো বোন খাদিজা আক্তারের মুখে ছুড়ে মারে।
এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে ওইদিন রাতেই নবীনগর থানায় মামলা দায়ের করেছে।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, খাদিজা এর আগে ভৈরবে তার পিতা জাকির মিয়ার কাছে থাকতো। সেখানে থেকে কয়েল ফ্যাক্টরিতে কয়েল বানানোর কাজ করতো সে। বছরখানেক আগে খাদিজার মা (স্বামী পরিত্যক্তা মহিলা) মেয়েকে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। ভিটেশুন্য খাদিজার মা পাচ সন্তানকে নিয়ে সালাউদ্দিনের বাড়িতেই থাকতো।
স্থানীয়রা জানায়, প্রেমের সম্পর্কের কারনে এ ঘটনা ঘটেছে।মাস দুয়েক আগে খাদিজাকে বিয়ে করতে না পেরে সালাউদ্দিন কেরির বড়ি খায় বলে একটি সুত্র জানায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবীনগর থানা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চিত্তরঞ্জন পাল।
এছাড়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানভীর সালেহীন গাজী।
উপস্থিত ছিলেন নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ পিপিএম, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম সরকার, ভোলাচং বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি জামাল মিয়া, ভোলাচং উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানিজিং কমিটির সদস্য জসিম মিয়া, আক্কাস আলী প্রমুখ।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, বর্তমান সরকার এসিড সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যাপক সোচ্চার। তিনি এলাকাবাসীর উদ্যেশে বলেন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত করতে আপনাদের সহযোগীতা প্রয়োজন।