
শনিবার (১১/০৬) সাংবাদিকদের শিশুটির বাবা আজাহার আহম্মেদ জানান,গ্রামে আমার কোন শক্র নেই, আমি সামাজিক সকল কাজেই সবার পাশে থাকি। স্ত্রী সন্তান নিয়ে আমি ঢাকায় বসবাস করি গত দেড় মাস আগে পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসি। আমার মেয়েকে কেউ নিয়ে গেছে। কাউকে সন্দেহ হয় কিনা প্রশ্নের জবাবে আজাহার বলেন,আমি কাউকে সন্দেহ করছি না, গ্রামের ইকবাল ডাক্তারের সাথে জমি নিয়ে একটি মামলা মোকদ্দমা ছিল সেটা শেষ হয়ে গেছে। আমার মেয়ে হারিয়ে যাওযার পর গ্রামের এবং সকল আত্বীয় স্বজন আমাকে আমার পরিবারকে সহানুভূতি জানাতে আসে কিন্ত আমারই সম্পর্কে চাচাতো ভাই ইদ্রিস আর অপু মিয়া তারা এখন অবদি আমাকে কোন সহানুভূতি দেখাতে আমার বাড়িতে আসেনি। আমি সব বিষয় পুলিশকে খুলে বলেছি, কিন্তু আমার মেয়েকে খোঁজার বিষয়ে পুলিশের কোন তৎপরতা দেখছি না। শিশুটির মা সাবিনা বেগম বুকফাঁটা আর্তনাদ করে শুধু একটি বাক্যই উচ্চারণ করছিলেন‘ আমার মেয়েকে এনে দেন।
রতরনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রুহুল আমীন বলেন, মেয়েটিকে অনেক খুঁজেছি আমরা, কিন্তু এ বিষয়ে পুলিশের কোন তৎপরতা দেখছি না।
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ফারুক বলেন,আজাহারের পরিবার সাথে গ্রামের কোন বিষয়ে কারোর সাথে কোন দ্বন্দ্ব নেই,আমরা বুঝতে পারছি না কি কারনে কেই শিশুটিকে নিয়ে যাবে । এ ব্যাপারে নবীনগর থানা প্রশাসন সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোকবুল হোসেন বলেন, শিশুটিকে খোঁজার ব্যাপারে অভিযান অব্যাহত আছে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত কাজ চলছে ।
