
এদিকে ৩০ সেপ্টেম্বর রবিবার ভোর রাত্রে গুরুতর আহত জয়নাল মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় হসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া বাকি দু’জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এ ঘটনায় গ্রামটিতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে,যে কেনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের সংঘাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান নবীনগর থানার ইন্সেপেক্টর (তদন্ত)মো.রাজু আহমেদ।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকার বাড়ির গোষ্টির নেতৃত্ব দেন বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মো.জিল্লুর রহমান, অপরদিকে আজরাই বাড়ির গোষ্টির নেতৃত্ব দেন কাউছার মোল্লা ও আব্বাস উদ্দিন।
উল্লেখ্য যে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ৩০ বছর যাবৎ গৌরনগর, থানার কান্দি ও হাজির হাটি মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাহিকতায় গত ২০১১ সালে গৌরনগর গ্রামে একটি হত্যাকান্ডের ঘটনাসহ হাজির হাটি ও থানারকান্দি গ্রামেও আরও ৩ টি হত্যাকান্ডের ঘঠনা ঘটে। গত বছর তাদের সাথে যোগ দেয় বীরগাঁও ইউনিয়নের আমতুলি পূর্বপাড়া ও সাতঘর হাটি।
গত বছর অক্টোবরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল উল্লেখিত গ্রামের দাঙ্গা নিষ্পত্তির লক্ষে নবীনগর উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় সমযোতা ও সামাজিক নিষ্পত্তি করিয়েছিলেন।
গৌরনগরের বাসিন্দা খায়ের মিয়া জানান হত্যাকান্ডের শিকার জয়নাল মিয়া গৌরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উত্তর লক্ষীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সদস্য ছিলেন।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম শিকদার জানান এ ঘটনার জড়িত সন্দেহ ২ জনকে আটক করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।