
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যেসব ছিচকে মাদক ব্যবসায়ী মাদক সহ আটক হয় তাদের অধিকাংশই মাদক সেবি। তারা নিজেদের নেশার উপাদান যোগার করতেই ছোটখাট মাদক ব্যবসার সাথে জরিত হয়।
দেখা যায়, গত দু বছরে মাদকের যে সকল বড় বড় চালান ধরা হয়েছে এবং তাদের সাথে আটক কৃতরা কেউ এ এলাকার নয়। ব্রাহ্মনবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলাটি পাশ্বর্তী দেশ ভারতের সিমানা বর্তী এলাকার কাছাকাছি হওয়ায় উপজেলার শিবপুরের রাধিকা সড়কটি মাদক ব্যবসায়ীদের সবচাইতে বড় যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। এ রাস্তা দিয়েই রাজধানি সহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা গুলিতে মাদকের যোগান মিলে।
স্থানীয়রা জানায়,আইনশংখলা বাহিনীর চলমান অভিযানে আনেকেই নবীনগর থেকে অন্যত্র গিয়ে আত্মগোপন করেছেন। উপজেলার শিবপুর-কনিকারা ও সোহাতা-রছুল্লাবাদের সড়কটিতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকলে এ এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদকের বিস্তার অনেকটাই কমে যাবে।
নবীনগর থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. রাজু আহামে জানান,আমাদের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যহত আছে। উপজেলার মাদক ব্যবসায়ীদের একটি লিষ্ট আমাদের হাতে আছে। ইতিমধ্যেই আমরা কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করেছি,বাকিদের গ্রেপ্তার করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।