
সম্প্রতি ওই এলাকায় জমি দখল নিয়ে পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর সরেজমিনে তদন্ত করতে যান উপজেলা প্রশাসনের এই কর্মকর্তার।এসময় গ্রাম বাসিদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করতেও দেখা যায়।
উল্লেখ্য যে, উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নে নবীপুর গ্রামে তিনটি সেতুর নীচের অংশ বালি দিয়ে ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এতে করে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে নবীপুর ও লাপাং গ্রামে প্রতিনিয়ত জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগ পোহায় এলাকার মানুষ।
অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার নবীপুর মৌজায় সরকারি খাস খতিয়ান অন্তর্ভুক্ত ১৪২৩,১৪২৭,১৬৭৫ সরকারি খাস ভূমির মোট ৫১ শতাংশ বালি দিয়ে ভরাট করে কিছু অংশ বিক্রয় ও কিছু অংশ বসতবাড়ি,কিছু অংশ মাছ চাষ করে অবৈধ দখলের অভিযোগ উঠেছে।
পূর্বের সংবাদ
নবীনগরে ড্রেজারে বালি ফেলে ৩টি সেতু অকেজো করে সরকারি খাস ভূমি বিক্রয়ের অভিযোগ