
সুত্রে জানা যায়, কলেজের বিদ্যুৎসাহী সদস্য মোহাম্মদ সফিউল্লাহ্ ও অভিভাবক সদস্য অজিত চন্দ্র চৌধুরী কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবরে গত ০৩ মার্চ অধ্যক্ষের নানাহ দুর্নীতির বিষয়ে বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্টানের জনবল কাঠামো ও এম.পি.ও নীতিমালার তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ সহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেন।
বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তাকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করেন। তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, উক্ত অভিযোগের তদন্ত এবং সকল তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে।
এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ মো. জকির হোসেন তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগের তদন্তের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন এসব মিথ্যা অভিযোগ, এখন কথা বলার সময় নেই বলে সংবাদিকদের সাথে আর কোন কথা বলতে রাজি হননি।