
রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙনের কবলে পড়ে বাড়িঘর হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে চিত্রি গ্রামের কয়েকটি পরিবার। বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে অনেকে।
এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। অনেকে এক কাপড় নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে কোনো রকমে জীবন বাঁচিয়েছে।
নদী ভাঙন অব্যাহত থাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে ওই এলাকায়। বাড়ি-ঘর ছেড়ে অনেকে সরে যাচ্ছে পরিবার-পরিজন নিয়ে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে স্কুল, মসজিদ, মাদরাসাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম নদী গর্ভে বিলীন হয়ে উপজেলার মানচিত্র পাল্টে যাওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিক বলেন, ‘ভাঙন কবলিত এলাকা আমরা পরিদর্শন করে এসেছি, উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার ও আর্থিক সাহায্য দেয়া হয়েছে, যাদের বাড়ি ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে তাদেরকে আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় ঘর নির্মাণ করে দেয়ার বিষয়ে আমরা কাজ করছি। তিনি আরো বলেন, ভাঙন রোধ কল্পে এমপি মহোদয় একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন, খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে আমরা আশা করছি