
তিনি জানান, প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ কানি(বিঘা) জমি চাষ করেন। সকালে ঘোড়া দিয়ে হালচাষ করে সেই ঘোড়া দিয়েই আবার বিকেলে ঘানি টেনে তৈল উৎপন্ন করেন।
এছাড়াও সে প্রতিদিন ঘানি টেনেও ৩/৪ কেজি তৈল উৎপন্ন করেন। প্রতি কেজি তৈল বিক্রি করেন ২৫০ টাকায়। তবে শীত মৌসুমে এই তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তার তৈল ভালো হওয়ার কারনে দূর-দুরান্ত থেকে ক্রেতা আসে বলেও জানালেন তিনি। দুইটি ঘোড়া দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে হামিদ মিয়ার চারটি ঘোড়া রয়েছে। তিনি ঘোড়াগুলোকে হালচাষ ও ঘানিটানার কাজে ব্যবহার করেন।
আবু সাঈদ মিয়া জানান, কম খরচেই ঘোড়া পালন করা যায়। ঘোড়া অনেক পরিশ্রমী প্রাণি। বিদেশ থেকে টাকা মার খেয়ে দেশে ফিরে টাকা কর্জা করে আমি কাজটি শুরু করে বর্তমানে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ভালো আছি।