
আজ বুধবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে বা্রোটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।এ নিয়ে উপজেলায় গত ৪ দিনে ৬ জনের অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটল। শিখা ওই গ্রামের জীবন দাসের মেয়ে।
তবে তার আত্মহত্যার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। সরজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে জানা যায়, গতকাল বিকেলে শিখা বাড়ির পাশে ক্ষেত থেকে শুকানো লাকড়ি আনতে গেলে সেখানে স্থানীয় এক বখাটের কুনজরে পরে। নির্জন ওই পরিবেশে বখাটের থাবার হাত থেকে প্রানান্ত চেষ্টা চালিয়ে সে ফিরে আসে।এ ঘটনার পরদিন আজ সকাল থেকেই ওই এলাকার বাসিন্দাদের মুখে মুখে ধর্ষনের গুজব রটে।এ কারনেই অভিমানে সে কেরির বড়ি খেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।
খবর পেয়ে সলিমগঞ্জ ক্যাম্প ইনচার্জ এস আই গোলাম মোস্তফা ময়না তদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে জেলা মর্গে পাঠিয়েছে।তবে ধর্ষনের চেষ্টা চালানোর কারনেই কি এ মৃত্যু জানতে চাইলে তিনি জানান, এলাকায় নানা জনে নানান কথা বলছে।পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট হাতে আসার পর তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি
খোলাসা হবে।