
জানা যায়, নবীনগর উপজেলা পরিষদ রোডের ভাগ্যলক্ষী মিষ্টন্ন ভান্ডারের সামনে পান-সিগারেটের খুচরা দোকানের প্রতিদিনের আয় দিয়ে বৃদ্ধা মা ও স্ত্রী( বর্তমানে গর্ভবতী) সহ দুই সন্তান নিয়ে পৌরএলাকার ২ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম পাড়ার পৈতৃক ভিটায় ভাঙ্গাচুরা একটি ঘরে কোন রকমে সংসার চালাচ্ছেন খোকন চন্দ্র দাস। নোভেল করোনা ভাইরাসের কারনে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক গত ২৫ মার্চ থেকে তার দোকানটি বন্ধ হয়ে যায়। দোকানটি বন্ধ হওয়ার পর দৈনন্দিন রুজিও বন্ধ হয়ে যায় তার।এর পর থেকে অর্থ অভাবে মানবেতর দিন পার করছেন তার পরিবারটি। এসময় কোন রকমের সরকারি সহায়তাও পাচ্ছেনা তিনি।
অসহায় খোকন চন্দ্র দাস জানান, অভাবের সংসারে আমার প্রতিদিন রোজি না করলে ঘরের চুলা জ্বলে না। তার উপর আমার স্ত্রী গর্ভবতী (সন্তান সম্ভ্যবা)। আমি এখন তারেই চিকিৎসা করামু না এই সংসার চালামু। ভাগ্য লক্ষী মিষ্টন্ন ভান্ডারের মালিক গৌর চাঁন ঘোষ জানান, আমার দোকানের সামনেই সে পান-সিগেরেট বেঁচে তার সংসার চালায়। বিভিন্ন সময় আমরা তাদের সহযোগীতাও করি। সরকারি সহযোগীতা পেলে তার পরিবারের জন্য ভালো হয়।