
গত শুক্রবার (২৯/০৬)সলিমগঞ্জ এ আর এম উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের উপদেষ্টা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য এবাদুল করিম বুলবুল এর উপস্থিতিতে ওই দুই ইউনিয়নের দলের স্থানীয়/ঢাকাস্থ কিছু নেতাদের নিয়ে বৈঠকে আগামী ১৩ জুলাই সংবর্ধনার তারিখ ঘোষনা করে। বৈঠকে স্থানীয় নেতা/কর্মীরা পূর্বের সিদ্ধান্তের সকলের অংশগ্রহনে সংবর্ধনা অনুষ্টানে পরিকল্পনার দাবী জানালে দ্বন্ধ সৃষ্টি হয়। সভায় বাকবিতন্ডতা ও উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তাড়াহুরা করে সভা শেষ করে একজন নেতাকে সমন্বয়ের দায়িত্ব দিয়ে চলে যায় নেতারা।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মোঃ মাঈন উদ্দিন আহম্মদ মঈন বলেন, সভায় আমি উপস্থিত ছিলাম,দেখলাম স্থানীয় কেন্দ্রীয় অনেক নেতৃবৃন্দকে এ সভায় ডাকা হয় নাই,আমরা বলেছি স্থানীয় ও ঢাকাস্থ সকল নেতৃবৃন্দদের অংশগ্রহনে ও সহযোগীতায় এ অনুষ্টান করতে হবে,আমার এ বক্তব্যে স্থানীয় প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিসহ উপস্থিত অধিকাংশ নেতা/কর্মী সমর্থন দিলে ওই স্বার্থনেষী মহল যারা এককভাবে অনুষ্ঠান করতে চায় তাদের সাথে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। পরে বুলবুল সাহেব স্থানীয় এক নেতাকে সমন্বয়ের জন্য দায়িত্ব দিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করেন।
এ ব্যাপারে বড়িকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান আনোয়ার পারভেজ হারুদ বলেন,আমরা চাই দুই ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সকল নেতাদের সর্বাত্তক অংশগ্রহনে ভাল সুন্দর একটি জাকজমকপূর্ন অনুষ্ঠান।তা না হলে এ দ্বন্ধ সংঘাতে রুপ নিতে পারে ।
এ ব্যাপারে সলিমগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাইনুল হক সিকদার বলেন, ওটা ছিল প্রাথমিক একটি পরামর্শ সভা,সবাইকে দাওয়াত করা হয়েছিল অনেকে এসেছে, অনেকে আসে নাই,তেমন কোন বিশৃংখলা হয়নি,অনুষ্ঠানটি দুই এমপি ও দলের সেক্রেটারী হালিম ভাই এর সিদ্ধান্তক্রমেই ১৩ জুলাই নির্ধারণ করা হয়। আমরা দুই ইউনিয়নে সকল নেতা/কর্মীদের নিয়েই এর আয়োজন করা হবে। বাকি দলের কেন্দ্রীয় ও উপজেলার নেতা/কর্মীদের দাওয়াত করা হবে কাউকে বাদ দেওযা হবে না ।