
আর এই প্রেক্ষিতে ভাবী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিপ্লব কুমার দেবের নাম ঘোরাফেরা করছে। প্রসঙ্গত, ভোটগ্রহণের আগে জনমত সমীক্ষায় মানিক সরকারের থেকে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন বিপ্লব।
কিন্তু, কে এই বিপ্লব? ৪৮ বছরের বিপ্লব কুমার দেবের জন্ম দক্ষিণ ত্রিপুরার গোমোতি জেলার উয়দপুরে। ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলা বিভাগে স্নাতক হওয়ার পর উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি দিল্লি চলে যান।
সেখানে তিনি উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় জিমে ইনস্ট্রাক্টরের কাজ নেন। এছাড়া, রাষ্ট্রীয় স্বয়মসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন বিপ্লব।
আরএসএসে বিল্পবের প্রশিক্ষক ছিলেন সুনীল দেওধর, যিনি ত্রিপুরায় বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ছিলেন। তাঁর মেন্টর ছিলেন কে এন গোবিন্দচার্য।
শোনা যায়, মধ্যপ্রদেশের সতনা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ গণেশ সিংহের সহায়ক হিসেবেও কাজ করেছেন বিপ্লব।
১৫ বছর পর তিনি ত্রিপুরায় ফিরে আসেন। ২০১৬ সালে সুধীন্দ্র দাশগুপ্তকে সরিয়ে তাঁকে রাজ্য সভাপতি করে বিজেপি। মাত্র ২ বছরেই ত্রিপুরায় দলের পারফরম্যান্সকে অপ্রত্যাশিত উচ্চতায় নিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন বিজেপি নেতা বিপ্লব কুমার দেব।
বিপ্লবের স্ত্রী দিল্লিতে স্টেট ব্যাঙ্কের পার্লামেন্ট হাউস শাখার ডেপুটি ম্যানেজার পদে কর্মরত। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত বনমলিপুর আসন থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিপ্লব।