
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিষদের মেয়াদকাল শেষ হয়ে আসছে। নতুন কমিটি হবে। তাই গত ২১ জুলাই প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষরিত একটি নোটিশে দাতা সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটার হতে টাকা জমা দেওয়ার আহবান করা হয়। ভোটার প্রতি ২০ হাজার টাকা জমা দেয়া কথা। নোটিশ অনুসারে গত ৩১ আগষ্ট ছিল শেষ দিন। ওইদিন শেষ সময় পর্যন্ত ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৩৭টি পে-অর্ডার জমা পড়ে। ৩৭ জনের ভোটেই একজন হবেন দাতা সদস্য। সরাইল উপজেলায় একজন দাতা সদস্য নির্বাচনের জন্য ৩৭ জন ভোটার সর্বকালের সেরা বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় একাধিক শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক মোঃ খুরশেদ আলম ৩৭টি পে-অর্ডার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এখান থেকে সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত ব্যক্তিই হবেন দাতা সদস্য।