
নিহত যুবক হলো মো. জুবায়ের (১৮)। সে শ্যামবাড়ি গ্রামের ফয়েজ মিয়ার ছেলে ও শ্যামবাড়ি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ১০ শ্রেণীর ছাত্র। রবিবার বিকেলে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয় নি। জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে তার লাশ পড়ে রয়েছে।
এলাকাবাসী, প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়,অনেক দিন ধরে শিশু মিয়া মেম্বার সমর্থক ও শাহআলমের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘ দিন বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে জুবায়েরকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে।। ঘটনার খবর পেয়ে প্রতিপক্ষের বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা হয়। পুলিশ নয়জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
জুবায়েরের চাচাতো ভাই ইমরান, প্রত্যক্ষদশী দাবি করা আরেক চাচাতো ভাই তুষার জানান, সকালে বাড়ির পাশ দিয়ে চলার সময় জুবায়েরকে ডেকে নেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। এক পর্যায়ে চিৎকার শুনে এগিয়ে গিয়ে দেখা যায় জুবায়েরকে পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের তার জড়িয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, কীভাবে সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছে তা নিশ্চিত নয়। ঘটনাটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত খোঁজ নেয়া হচ্ছে।