
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে সমিতিতে এক কোটি ৮০ লাখ টাকার দুর্নীতি হয়েছে। একটি অডিট রিপোর্টে দুর্নীতির বিষয়টি ধরা পড়ে। বর্তমান কমিটির মেয়াদ এক বছর আগে শেষ হলেও প্রভাব দেখিয়ে তারা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এমনকি অনান্য কার্যক্রমের পাশাপাশি স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে বিক্রি, দোকান ভাড়া দেয়ার মতো কাজ করে যাচ্ছেন।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে জহিরুল হক খাঁন বলেন, ‘বর্তমান কমিটি ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করে যাচ্ছে। এছাড়া মেয়াদ শেষ হলেও অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা চাই অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হোক।’
নিজেকে সমিতির সদস্য দাবি করে ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. এনামুল হক বলেন, ‘পাঁচ-সাত বছর যাবত সমিতিতে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে। আমরা এর প্রতিকার চাই। নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি দাবি করছি আমরা।’
সমিতির সাবেক পরিচালক মো.ওসমান ফারুক বলেন, ‘অডিট রিপোর্টে সমিতির অনিয়ম ধরা পড়েছে। টাকা ফেরত দেয়ার কথাও বলা হয়েছে। এসবের তোয়াক্কা না করে বর্তমান কমিটি মেয়াত শেষেও কার্যক্রম চালাচ্ছেন।’
সমিতির সদস্য সফিকুল ইসলাম বলেন;অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি নতুন কমিটি গঠনের দাবী করছি।
বিক্ষোভ মিছিল করে উপজেলা সদর রাস্তা হয়ে কসবা উপজেলা প্রশাসনিক ভবন চত্বরে গিয়ে ইউএনও’র কাছে স্মারক লিপি দেয়া হয়।