
এরই মধ্যে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এসব বস্ত্র কেনার জন্য আসতে শুরু করেছেন। শীতের আগমনে বেচাকেনাও জমে উঠতে শুরু করেছে।
কসবা উপজেলা সদরে পুরাতন বাজার পোশাক দোকান ঘুরে দেখা গেছে,এখনকার প্রত্যেকটি দোকানে শীত পোশাক বিক্রিতে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে দোকান মালিকরা।
স্থানীয় কারখানায় তৈরী ও আমদানি করা শীত পোশাক ঝুলিয়ে ও থরে থরে সাজিয়ে রাখতে ব্যস্ত সময় পার করছে দোকানের কর্মচারীরা। অপর দিকে ফুটপাতে ছোট বড় দোকানে গরীবদের পাশাপাশি অনেক উচ্চবিও শীতের কাপড় কিনছে এসব দোকান থেকে। প্রতিটি দোকানে মেয়েদের কার্ডিগান ও ছেলেদের জন্য সোয়েটার, জ্যাকেট, ব্লেজার, ট্রাউজার,শিশুদের ক্যাপসহ বিভিন্ন ধরনের গরম কাপড় পাওয়া যাচ্ছে।দাম ও মানে ভালো হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এ সময় এসব বস্ত্র কিনতে ভিড় করতে শুরু করেছেন খুচরা বিক্রেতারা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন : কয়েক দিনের মধ্যে পুরোপুরি জমে উঠবে বেচাকেনা জমে উঠেছে। আস্তে আস্তে শীত আসছে শীতের মাল সকল দোকানীরা এনে পরসা সাজিয়েছে।