
নিহত কবির ওই এলাকার মৃত সাহেদ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় ডেকোরেটর ব্যবসায়ী ছিলেন। এ ঘটনায় সেলিম মিয়া নামে এক অটোরিকশা চালক ও তার স্ত্রী পারভীন বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডেকোরেটর ব্যবসায়ী কবির অটোরিকশা চালক সেলিমেরর কাছে টাকা পেতেন। শুক্রবার সকালে কবির তার পাওনা টাকা চাইতে সেলিমের বাড়িতে যান। এ সময় টাকা নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সেলিম ও তার স্ত্রী পারভীনসহ কয়েকজন কবিরকে মারধর করেন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
নিহত কবীরের পরিবার সেলিম ও তার স্ত্রী পারভীনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান। নিহত কবীর হোসেনের পরিবার আইনমন্ত্রীর কাছে হত্যাকারীদের বিচার দাবী করেন।
কসবা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় সেলিম ও তার স্ত্রী পারভীনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।